১৩ মার্চ, ২০১০

বুয়েটের ঝড় ডুয়েটেও আসিতেছে! হুশিয়ার!

পূর্বপাঠের পুনরালোচনাঃ "ক্যান্টিনে শোরগোল!- বাই বুয়েটিয়ান ফর বুয়েটিয়ান অফ বুয়েটিয়ান" শীর্ষক প্রবন্ধে আপনারা জানিয়াছেন, কি করিয়া ছাত্রন্যাতাদের সবুজ ঘাস ও ইউরিয়া খাইবার দাবির মুখে বুয়েটের নজরুল হল ক্যান্টিন বন্ধ করিয়া দেয়া হোইয়াছে। এই ঘটনাকে পুজি করিয়া কিছু সংখ্যক হলুদ পাঞ্জাবি পরিহিত সাংবাদিক, ফলাও করিয়া প্রচার করিয়া দেয় যে "অমিত সম্ভাবনার প্রতিনিধিদের চাঁদাবাজির দরুন হল ক্যান্টিন বন্ধ হইয়াছে"। লোক মুখে শুনিয়াছি, আমার ডিবাংক প্রবন্ধ পড়িয়া অনেকেই জিব কাটিয়া উক্ত পত্রিকা পড়া পরিহার করিয়াছেন।

এরম অবস্থায় আবারো একটি হলুদ খবর পড়িয়া মেজাজ চটিয়া গেল। এবারে লেখিয়াছে "আলোচ্য জনপ্রিয় অমিত সম্ভাবনার প্রতিনিধি নাকি ডুয়েটের শিক্ষক পদ লাভ করিয়াছেন। এবং এই নিয়োগের পর হৈতে 'ডুয়েট শিক্ষক বিনিয়োগ বোর্ডের' পশ্চাতদেশ হৈতে দলীয় রাজনিতীর ধোয়া বাহির হইতে দেখা গেচে" । আরো শুনা গেচে, ডুয়েট ক্যান্টীন মালিকরা নাকি পূর্ব হৈতেই সবুজ ঘাস ও ইউরিয়া সার জোগাড়ে ব্যস্ত। ডুয়েটে প্রতিটি সবুজ মাঠে এখন ঘাস মাড়াই করা শুরু হোইয়াছে। চারিদিকে নবান্নের থুরি নব-ঘাসের উত্তসব। সকলেই তৈয়ার অমিত সম্ভাবনার প্রতিনিধিকে বরণ করিতে।

প্রথম না হৈয়াও, পরীক্ষালব্ধ ফল খারাপ হৈয়াও, কি করিয়া আমাদের অমিত সম্ভাবনার প্রতিনিধি সবাইকে ডিঙ্গাইয়া শিক্ষক পদে নিয়োগ লাভ করিলেন?
ডুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান, ওই 'বি'নিয়োগ বোর্ডের সদস্য ড. মো. শওকত ওসমান সাংবাদিকদের এরুপ ত্যাড়া প্রশ্নের জবাবে বলেন "মৌখিক পরীক্ষাটায় সে এত ভাল করেচে, যে উনাকে না নিয়ে পারা গেল না"। হুম! জীবনে এত মৌখিক পরীক্ষা দিয়াছি, কেহ "প" বলিলে আমি প্রশ্ন বুঝিয়া উত্তর দিয়া ফেলাই। ফলাফল "প্রশ্ন না বুঝিয়া উত্তর দেয়ার জন্য অকৃতকার্জ"। যা হোউক। এরুম জাহাবাজ মৌখিক পরীক্ষা দেনে ওয়ালার নিকট হৈতে কিছু টিপস নিবার জন্য প্রান উতলা হৈল। জিমেইল পায়রার পায়ে বাধিয়া প্রশ্ন পাঠাইলাম "কী করিয়া তুমি এমন মৌখিক পরীক্ষা দাও, গুনীন!"। জবাব আসিল "এ আর এমন কি! প্রশ্ন সোজা ছেল!"। বিনয় বিনয়, মহানরা এমনি হয়। বিলক্ষন বুঝিয়াছি। শুধাইলাম "প্রশ্নগুলো উত্তরসহ পাঠাইলে কৃতার্থ হৈ"। এইবার দীর্ঘ উত্তর আসিল, গলায় এটাচমেন্ট বাধা পায়রা। খুলিয়া পড়িলাম-
"জনাব, পদধুলি নিবেন। অনেক পরিশ্রম করিয়া মাথার পেশীগুলি পিশিয়া সেদিনের প্রশ্ন ও উত্তর মেমরী কুঠুরী হৈতে বাহির করিয়াছি। সারাজীবণ কৃতজ্ঞ থাকিবেন আশা করি"।

প্রশ্ন ১। বাবা তোমার নাম কি?
উত্তর। অমিত সম্ভাবনা
প্রশ্ন ২। বাহ বাহ। সুন্দর নাম। তোমার অপেক্ষাতেই আমরা ছিলাম। ভিসি সাহেব স কাল হৈতে ফোন করিয়া তোমার নাম স্মরণ করাইতেছেন প্রতি ঘন্টায়। হেহে(বিগলিত হাসি)। সকালের নাস্তা খেয়ে এসেচ, না গিয়ে খাবে?
উত্তর। আজ্ঞে না, নাস্তা হয়নি। নজরুলের ক্যান্টীন বন্ধ রৈয়াছে। জানেন নিশ্চয়?
প্রশ্ন ৩। হ্যা হ্যা, জানবনা ক্যানো। তো তুমি যাও তবে... তোমার পরীক্ষা শেষ।
উত্তর। এ কি করিয়া হয়। রাত জাগিয়া এত এত পড়িয়া আসিলাম। আপনারাতো কিছুই জিজ্ঞাসা করিলেন না।
প্রশ্ন ৪। তবে তো প্রশ্ন করিতেই হয়। একটা অংক ধরি, তুমি চাদা চাহিলে ৫০হাজার, পাইলে ১০ হাজার। এখন বলতো, ২০ হাজার টাকা চাদা লাভ করিতে হৈলে তোমাকে কত চাহিতে হৈত?

উত্তরঃ হেহে। দাদা পাগল আছেন নাকি? ভাবিয়াছেন দ্বিগুন চাহিলেই দ্বিগুন পাওয়া যাইবে? হেহে। ২০ হাজার পাইতে হৈলে ১ লক্ষ টাকা দাবি করিয়া কোন লাভ নাই। ব্যাটা কঞ্জুস ক্যান্টীন মালিক কিছুতেই ১০ হাজারের বেশী দিবে না। আমি চাহিয়াছি বলিয়া ১০ হাজার দিয়াছে। স্বয়ং শেখ কামাল কবর হৈতে উঠিয়া আসিলেও এর চাইতে বেশী চাদা আদায় করিতে পারিত না।হুহ! ২০ হাজার টাকা চাদা পাইতে হৈলে ৫০ হাজারই চাইতে হবে, তবে দুইজনের কাছে। নজরুলের ক্যান্টিন ও আউল্লার ক্যান্টিন।

আমার এই উত্তরে চমৎকৃত হৈয়া, তাৎক্ষনিক প্রশ্নকর্তা মূর্ছা যান।।"

ক্যান্টিনে শোরগোল!- বাই বুয়েটিয়ান ফর বুয়েটিয়ান অফ বুয়েটিয়ান

ছাত্রাবাসে বেশ গোলযোগ হইতেছে। খোদ পিয়ন চাপ্রাশিরাও ত্যক্ত। সকলের মুখে একই অভিযোগ "ক্যান্টিনে নাস্তা করিয়া সুখ হইতেছে না। ক্যান্টিনে ভর পেট নাস্তা করিলেও বৈকাল পার হইতেই লুঙ্গির প্যাচ হালকা হইয়া যায়।" দিনের পর দিন অপুষ্টি চলিতে থাকায় ছাত্রদের পশ্চাদদেশের চর্বিস্তুপ গলিতে লাগিল। কোমরবন্ধনীর কাটা নামিতে নামিতে এমন অবস্থায় নাবিল যে, অস্ত্রপচার করিয়া নতুন ফুটো না করিলেই নয়। বাতেল ছাত্রদের ব্যাপক স্বাস্থ্যহানি ঘটায় অনেকের ছাত্রী-প্রেমিকা অন্যত্র ভাগিয়া গেল। এমতাবস্থায় আতেল ছাত্রকূলও ক্ষেপিয়া উঠিল। তাহারা কাষ্ঠনির্মিত শক্ত চেয়ারে বসিয়া পাঠে মনোযোগ দিতে পারিতেছিল না। পশ্চাদদেশের ব্যথায় উহাদের বিদ্যা ধ্যানে ব্যাঘাত ঘটিল। সার্বিক অবস্থা বিবেচনা করিতে নজরুল হলের কমন রুমে ছাত্রকূল এক্ত্রিত হইল।

একজন টিংটিঙ্গে ছাত্র দাড়াইয়া কহিল "ভাই সকল এরুপ আর চলিতে দেয়া যায় না। অপুষ্টির কবলে পড়িয়া... গেল মাসে আমাদের ফুটবলদল গোহারা হারিয়া ১ম রাউন্ডেই বিদায় নিয়াচে। হলের মান ইজ্জত খানদান ধুলায় মিশিয়া গিয়াছে।"
আরেক বিজ্ঞ ছাত্র ল্যাপটপ খুলিয়া এক্সেল শিট দেখাইয়া বলিতে লাগিল "গেল টার্মে আমাদের হলের মাথাপিছু সিজিপিএ নামিয়া গিয়া এখন ৫ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন... "
একজন সাধারন ছাত্র প্রতিনিধি দাড়াইয়া হাকিল "ইহা স্মরণকালের সবচাইতে বড় বিপর্যয়, একাডেমিক ও এক্সটা কারিকুলার জগতে আমরা ক্রমেই পিছাইয়া যাইতেছি। আমাদের ঐতিহ্য সমুন্নত রাখিতে দলমত নির্বিশেষে সবাইকেই ভাবিতে হইবেক"।
গোল বাধিয়া গেল কি করা যায় তা লইয়া। নানা মুনির নানা মত। শেষে সাব্যস্ত হইল "হল ক্যান্টীনের উপর কড়া নজর রাখা হইবেক, এর হিসাব কিতাবে স্বচ্ছতা আনিতে কম্পুটারাইজ করা হইবেক। খুজিতে হইবে ক্যানো খাদ্যমান নামিয়া যাইতেছে.. "। আলোচনা ভালই চলিতেছিল...কিন্তু ন্যাতারা আসিয়া বিবাদ বাধাইল। ন্যাতাদের পেশী বহুল শরীর...ছাত্রকূল দিন দিন শুকাইলেও...ন্যাতারা ক্যানো যানি তাগড়া হইয়া উঠিতেছেন। ক্ষমতাসুখের কারনেই কিনা। ন্যাতারা হুমকি দিয়া বলিলেন "ক্যাম্পাসে রাজনৈতিক সভা সমাবেশ নিষিদ্ধ...জানা আচে নিচ্চয়...যে যার গর্তে না ঢুকিলে খবর করিয়া দিব কিন্তু"। যে যার মত রুমে চলিয়া গেল।


কিন্তু পরদিন হইতে নজরদারি চলিল... চুপি চুপি। সারাদিন কোন কিছু ধরা পড়িল না। কিন্তু রাত্রি ৪ ঘটিকায় ক্যান্টিনের পাশে টিংটিঙ্গে সেই সাধারন ছাত্রপ্রতিনিধি, চেচাইয়া লোক জড়ো করিল । টিংটিঙ্গের হাক শুনিয়া অনেকে নামিয়া আসিল ...কি হইয়াছেরে? টিংটিঙ্গে একখানা ত্রিচক্র-যানের পাশে দাড়াইয়া আছে। ঘটনা যাহা জানা গেল..."টিংটিঙ্গে হল ক্যান্টিনের সামনে ভ্যানচালক আর ক্যান্টিন মালিককে কথা কহিতে দেখিয়াছে। আগাইয়া আসিতেই...টিংটীঙ্গেকে দেখিতে পাইয়া ভ্যানচালক আর ক্যান্টীনের মামা উভয়েই দৌড়াইয়া কোথায় জানি লুকাইয়াছে"। ভ্যানে বিশাল ...সাদা বস্তা। সমবেত ছাত্ররা বস্তা কাটিয়া দিল। হড়হড় করিয়া বস্তা হইতে সবুজ ঘাস পড়িল। আর পাওয়া গেল ছোট একবস্তা ইউরিয়া সার। ক্ষুধার্ত মানুষ দ্রুত ক্ষেপিয়া যায়। তাই ছাত্ররাও ক্ষেপিয়া ক্যান্টিনে হানা দিল..."কোথায় গেলিরে ...হতভাগা ক্যান্টীন মামা"। শোর শুনিয়া ভয়ে ক্যান্টিন মামা লুঙ্গি তুলিয়া পালাইয়া গেল। দরজা ভাঙ্গিয়া ভিতরে ঢুকিল। ক্যান্টিন বয়দের শুইবার ব্যবস্থা ভিতরেই...উহারা জাগিয়াছে আগেই। অগ্নি মূর্তি ছাত্রদের দেখিয়া সব বলিয়া দিল..."ন্যাতারা পুষ্টি বাড়াইতে সবুজ ঘাস আর ইউরিয়ার মিশ্রণ অর্ডার দিয়াছে ক্ষমতায় আসিয়াই...প্রথমে ভালই চলিতেছিল...কিন্তু সারাদেশে সবুজ ঘাসের আকাল পড়ীল...পাশের অক্সফোর্ডে আর কবিরাজখানাতেও ব্যাপক মাত্রায় সবুঝ ঘাসের অর্ডার আসাতে...সবুঝ ঘাস আর ইউরিয়ার দাম বাড়িয়া গেল... খরচা কমাইতেই সাধারন ছাত্রদের খাবারে টান পড়িল...সেই জন্যই হালিমে মাংস নাই, বার্গারে কিমা নাই, সসে টমেটো নাই, জিলাপিতে শিরাও নাই"। সকলেই বুঝিতে পারিল...তাহাদের দূরাবস্থার মূল কারন কি! প্রভোষ্টের বাড়িতে সেই ভোর রাত্তিরেই ফোন বাজিল...। প্রভোষ্ট ধড় স্যার ধড়মড় করিয়া ঘুম হইতে উঠিলেন। ফোনে ২/১ মিনিট বৃত্তান্ত শুনিলেন...অস্থির প্রকৃতির মানুষ উনি... কিন্তু সবুজ ঘাস আর ইউরিয়া দিয়া নেশা করিবার বর্নণা শুনিয়াই...হাকিলেন "পিএলের মধ্যে কাহিনী ফাদিয়াছ?...ভাবিয়াছ গোল বাধাইলেই পরীক্ষা পিছাইবে?...নটাঙ্গির দল...আজ হইতে তোদের ক্যান্টিন বন্ধ। পড়িতে বস সকলে "। বলিয়া খটাশ করিয়া ফোন কাটিয়া দিলেন।

পরদিন খবরে প্রকাশঃ প্রথম আলো - ছাত্রলীগের চাঁদা দাবির মুখে বুয়েটের হল ক্যানটিন বন্ধ

ক্যান্টিনে শোরগোল! দ্বিতীয় পর্ব

যে কারনে রকিবুল অবসরে...বাঙ্গাল এক্স-ক্লুসিভ

"হারবিচ্চারে তোবা কৈরা, বল খেলাডা চাড়"- এরাম একটা গান শুঞ্ছিলাম। কিন্তু আমরার রকিবুল যে হাচা হাচাই তোবা কৈরা বল খেলা চাইড়া দিব...ইরাম বুঝি নাই। অবসর লওনটা আমাগো কালচারেই নাই। কবরে এক পা, এক হাত ঢুইকা রইছে, ঝাতি অবসর ছাইতাছে, তাও অবসর নেয় না এরম কত আছে। আমাদের নান্নু, আকরামরে অবসর দিতে কিরম ঝক্কি গেছে...তা নিশ্চয় সক্কলের ইয়াদ আছে । যাজ্ঞা, মূল কাহিনী হৈল, ২২ বছরের চেংড়া পোলা অবসর-অবসর খেলা শিখল কৈত্থে? চাচা-মামারা তো এরম ছিল না। কাহিনীডা কি?আজকের দিনে এইটাই বাংলাদেশে মিলিয়ন পৈসার প্রশ্ন।

ঢাকার বাতাস থিকা যেইসব স্পেকুলেশন জানা গেছে হের মইদ্দে সরকারী দলের ভাষ্য "আশরাফুলরে বাদ দেয়ায় মির্জা আব্বাস গোসসা হৈয়া (এলাকার পুলা বাদ গেলে দরদী নেতা বেজাড় হৈতেই পারেন)...রকিবুলের বাসায় তবারক পাঠাইছেন"। আব্বাস সাহেবের তবারকে এমন কিছু ছিল "হি(রকিবুল) কান্ট ডিনাই ইট"।

বিরোধী দলের ভাষ্য "লুডা থুক্কু লুটাস কামালের সাথে তেড়িবেড়ি করায় সে...রকিবুলরে আরামে বসতে কৈছে"।ছুডু বেলায় পিটি ক্লাসে "আরামে দাঁড়াও" শুনছি। কিন্তু "আরামে বসা" কি জিনিস সেইটা আইজগা বুঝলাম।

এদিকে আমাদের এরশাদ নানা বলেছেন "আজকাল কার ছেলে পেলেরা ২২ বছরেই ফুরিয়ে যাচ্ছে, স্ট্যামিনা নেই। আমার মতএকটা লং ইনিংস খেলার সামর্থ্য এদের নেই। আপা যদি ক্রিড়া মন্ত্রানালয়ের দ্বায়িত্ব আমাকে দিতেন তাহলে আজ এসব হোত না। আমি ওদের যৌবণ ধরে রাখার, বল বৃ্দ্ধি করার টিপস দিতাম"।

যাজ্ঞা পলিটিকাল প্যাচাল শুনার জন্য আপ্নারা নিশ্চয়ই বাঙ্গালের লেখা পড়েন না। আপ্নারা চান বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ বিশ্লেষন। হেহে। আমি জানি। তাইতো নানা দিকে আতাপাতা লাগায়া জানতে পারছি আসল কারন।

পোলার বয়স ২২। দিলটা নরম। দ্যাশে বিদাশে খেলাধুলা কৈরা তার নরম দিল বেচইন হৈছে। সে ভাল ছেলে। উলটাপালটা কিছু করে নাই। পরিবাররে জানাইছে তার দিলের কথা। কিন্তু পরিবার তারে ২২ বছরে বিয়া দেবে না। বাপে কৈছে "তুই টেস্টে একটা সেঞ্চুরি কর্তার্লে বুঝহুম তুই বিয়া করার মত স্ট্যাবল হৈছোস। যা মন দিয়া খেল। " রকিবুল দেখল এরা তো তারে প্যাচে ফেলাইছে। সেঞ্চু---রীইইইই...সেইটা কি মুখের কথা? সেও বাপকা বেটা...বাপরে উলটা প্যাচে ফেলাইতে...সে অবসরের ঘোষনা দিয়া ফেলছে। রকিবুলের এক অজ্ঞাত পরিচয় মামা এইসব জানাইছে। এমতাবস্থায় রকিবুলরে বিহা দেয়া ছাড়া আমার মাথায় আর কুন বুদ্ধি আস্তেছে না। কি কন, মুরুব্বি?

২৬ আগ, ২০০৯

NO Engineering ONLY Football


মূল লেখকঃ নাঈম, ১১৪, আউল্লা, বুয়েট

আহসানুল্লাহ হল,বুয়েট, রুম #১১৪... ২০০৬ সালের ৯ই জুন আর ৯ই জুলাই এর মধ্যে যে কোনো দিন... সারারাত টিভি রুমে কাটায়ে আসছি..., দিন শুরু হইছে ১ টায়... ঘুম থেকে উঠে দেখি হেলাল অলরেডি হাজির... পিসির সামনে বইসা একটা excel spread sheet এ গত রাতের খেলার score বসাইতেছে... ব্রাস হাতে নিয়ে বারান্দায় দাড়াইলাম... ফ্রেডি কে দেখা যাচ্ছে.. বার্সার টি-শার্ট টা গায়ে... কান্ধে নামকা ওয়াস্তে ব্যগ একটা ঝুলানো... হাটতে হাটতে করিডোর দিয়ে রুমের দিকে আসতেছে... আমার এবং আমাদের বাকি দিনের কর্মসূচি এইরকম......

আলমের দোকানে নাসতা খাইতে খাইতে ...ফুটবল আড্ডা ... তারপরে রুমে এসে ...ফুটবল আড্ডা... চারটা বাজলে নজরুলের ডাকুয়া, তারেক, কি আ-উল্লার অনিক, তৌফিকের ডাকে মাঠের দিকে দৌড়... সন্ধ্যার সময় কুত্তার মত জিহবা বাইর করে রুমে প্রত্তাবর্তণ... আবারো আলম... টিউশনি তে গেলাম বা কল করে বললাম... "আজকে ভাইয়ার শরীরটা বেশি ভাল না..." তারপরে আবার খুচড়া আড্ডা দিতে না দিতেই... মহেন্দ্রক্ষণ উপস্থিত... নজরুলের টিভি রুমে গিয়ে বাজি গুলা ধরে ফেলতে হবে তাড়াতাড়ি... খেলা নজরুল বা আ-উল্লাহ... এক খানে দেখলেই হইল... তারপরে গভীর রাতে সব খেলা সরাসরি এবং পুনঃপ্রচার দেখে শেষ করে, রুমে ফিরে... কি আবার... ফুটবল আড্ডা...

এই যে এত আড্ডা... এর বিষয়বস্তু কি?... "তুমি আমার বালের খেলা বুঝ..."... "মেচেল... হুদাই কষ্ট করতাছস... ইতালী সেকেন্ড রাউন্ড-ই পার করতে পারবনা..."... "রেঞ্জারস" বাজির রেট বেশ defensive দিচ্ছে, লাভ-ই তো হইতেছেনা..."... "ফিগো হালায় শিউর ভায়াগ্রা খায়া নামছিলো কালকে... বুইড়ার কি দৌড়..."...

কিম্বা তারো আগে... বিশ্বকাপ দেখবো... পরীক্ষা দিবনা... পরীক্ষা পিছানো পার্টি আর এন্টি-পার্টির পাল্টা-পাল্টি মিছিল... শাহজাহানের নোটিশ আর উল্লাসের পাল্টা বিবৃতি... সংগ্রামে উত্তাল সময়... আমার রুমমেট প্রিন্স... কোনো কালে কোনো ইস্যুতে মিছিল তো দুরের কথা... লেভেল কম্পলিশনের মিছিল-ই করলোনা... অথচ বিশ্বকাপ আন্দোলন কামিয়াব করতে ফুটবল হাতে মিছিলে নাইমা গেল...

এটা শুধু এই একটা রুমের গল্প না... শের-এ বাংলা'র ৪০০৭, কি আউল্লাহ'র ৩১৯ কি সোহরাওয়ার্দী'র ৩০৪... মান্নানের দোকান থেকে নজরুলের কেন্টিন... "একদল no ইঞ্জিনীয়ারিং only ফুটবল" পোলাপানের পাগলা একটা সময়... অসাধারণ একটা মাস... আমাদের অনেকেরই জীবনের শ্রেষ্ঠ সময়...

সময়টা আর নাই... কিন্তু পাগলামিটা আছে... হলের টিভি রুম পাল্টায়ে হইছে justin.tv... আর কেন্টিনের জায়গায় আসছে goal.com...

এই গ্রুপটা বুয়েটের এর পাগলা ফুটবল ফ্যানাটিকদের জন্য... যা ইচ্ছা লেখ... আর্সেন ওয়েঙ্গার রে গালি দাও... বুইড়া ফার্গুসন রে গালি দাও... মেসীরে চুম্মা দাও... just it has to be about "THE BEAUTIFUL GAME"...

টু জয়েন আস ইন ফেসবুকঃ
খুচা দেন NO Engineering ONLY Football

৫ এপ্রি, ২০০৯

Banana Bangladesh 1


ভন্ড অর্থনীতিবিদ ও রাজনীতিবিদরা তাদের পোষা পত্রিকায় যেভাবে হাবযাব মন্দা ম্যান্দা কইরা আইএমএফ এর কাছে ৬০-৮০হাজার কোটি টাকা ধার(যদিও মুখে কইছেন সাহায্য) নেয়াটারে সময়ের দাবি বানায়া ফেলাইতাছে-- তাতে মনে লয় ব্যানানা বাংলাদেশ হইতে আর বেশি দিন নাই।
প্রথম আলোর(পড়েন কালো) প্রথম পাতার একখান লেখা ... যে লেখায় নানান ভারি ভারি অর্থনীতির টার্মস দিয়া...সংখ্যা দিয়া ভইরা শওকত সাহেব বলতে চাইছেন--আমাদের কারো কোন দোষ নাই--কারো কোন হাত নাই--সারা দুনিয়ায় মন্দা শুরু হইছে, আমাদেরো হইতাছে। তাই হেরা যেমনে ট্রিলিয়ন ডলারের স্টিমুলাস প্ল্যান দিছে আমগো সেরকম দিতে হবে। ব্যবসায়ীরা টাকার গন্ধ পায়া আগেই ৬০০কোটি টাকা চাইছে। মাল মুহিত কইছে কিছুতো দেইতেই হবে...আহা! এই টাকা নাকি ঋন না, সাহায্য।হাহ। আইএমএফ কি একটা সাহায্য দাতা প্রতিষ্ঠান?ওয়েবসাইটে পরিস্কার লেখা আছে What IMF does? Surveillance, Lends, Technical Assistance. এর মানে উনারা ডলার এবং তা খরচ করার কিছু শর্তও দেন।উনাদের সাহায্য(!!ঋন) নিয়া, উনাদের শর্ত মাইনা, জামাইকার কি হইছে দেখেন গুগুল ভিডিওতে Life and Debt: Globalization and Jamaica কাউলা ভাইদের দুঃখ দেইখা চোখে পানি আটকায়া রাখা কঠিন

প্রশ্ন ১: কেউ কি বলবেন, কেমতে হাজার মাইল দূরে আমেরিকার গৃহায়ন খাতে ধস নামার পর সেইটা আমাদের দেশেও আইসা লাগ্লো?কেন আজকে ২মিলিয়ন আমেরিকান ঋনখেলাপি? কেন আমেরিকার সরকার আজকে ৩.২ট্রিলিয়ন ডলারের ঋনে ভারাক্রান্ত?ভিডিওটা অবশ্যি দেখবেন। US ECOMONOMY

আমেরিকান ডলার ছাপানোর ও মান নিয়ন্ত্রনের দায়িত্ব ফেডারেল রিসার্ভ ব্যাংকের যা একটা বেসরকারী ব্যাংক।হ ভাই। নামে ফেডারেল...কামে বেসরকারী...যেমন ফেডারেল এক্সপ্রেস(FedEx)। ৭ সদস্যের পরিচালনা কমিটির মাত্র ২ জন উএস প্রেসিডেন্টের মনোনায়নে নির্বাচিত হন, ১৪ বছরের জন্য(উএস প্রেসিডেন্টের মেয়াদ ৪বছর)।সেই দুই জনের নামও আসে ওয়াল স্টীট থেকে।বোঝেন অবস্তা। বাকিরা কারা? এরা সবাই ইন্টারন্যাশনাল ব্যাংক মালিকদের প্রতিনিধি। এরা এদের ইচ্ছা মতো ডলার ছাপায়---ভূল বললাম। ছাপায় না...বানায়। কারন সব ইলেক্ট্রনিক "ডিজিটাল" মানি।আমেরিকার মাত্র ৩% ডলার কাগুজে...।বাকি সব ক্রেডিট কার্ড, অনলাইল ব্যাংকিং--সব ব্লাফ মানি, কম্পিউটার ডিজিট। মাথা ঘুরাইতাছে? এটা দেখেন অব্যশি অবশ্যি দেখেন How they creates money out of nothing


মডার্ন মানি মেকানিক্সহইলো বেসিক মানি ক্রিয়াশন টেকনিক যা ব্যাংকাররা ব্যবহার করে "ফ্রাকশনাল রিসার্ভ ব্যাংকিং"সিস্টেমে।নাম দেইখাই বুঝতাছেন- ব্যাংক এর কাছে ১০টাকা থাকলে সে আপনারে ৯০টাকা লোন দিতে পারবে, সেই লোনের মাখন মানে সূদও খাইতে পারবে।কি আরাম! আপনার কাছে ১০লিটার দুধ থাকলে আপনি ৯০লিটার দুধের ক্রীম খাইতে পারবেন? পরিষ্কার লেখা আসে--
Who Creates Money?
Changes in the quantity of money may originate with actions of the Federal Reserve System (the central bank), depository institutions (principally commercial banks), or the public. The major control, however, rests with the central bank. এরমানে কমার্শিয়াল ব্যাংকারাই মানি/ডলার তৈয়ার করবেন! বাহ! এর ফলাফল দেখেন এই ছবিতে In debt we trust
এইভাবে বায়বীয় ডলার তৈরী করলে--সেটা চালাইবো কেমনে? সহজ। ঋন! সরকার ঋন নেয় ফেডারেল রিসার্ভের কাছে.....বিনিময়ে সরকার দেয় বন্ড--ফাকা প্রতিশ্রুতি, লায়াবিলিটি।আর আমাগো ঋন নিতে হইবো আইএম এফ থিকা।ডলার ফ্লো করলেই তা স্ট্রং হবে...আমরা হমু বান্দি(ঋনি)!

এবং বাংলাদেশ
বাংলাদেশের সেন্ট্রাল ব্যাংকের নাম বাংলাদেশ ব্যাংক...যা আগে ছেল পাকিস্তান ব্যাংকের পূর্ব পাকিস্তান ব্রাঞ্চ।ওয়েবসাইট থিকা কোট করলাম--
১।Monetary Policy Statement 14 January 2009
Because the Bangladesh economy has not faced large capital outflows or credit crunch in the
ongoing global turmoil; there is no need for any blanket economy-wide stimulus.
২। NBR tax revenue collection during July-December, 2008 increased by 13.24 percent
৩। Gross foreign exchange reserves of the BB stood higher at US$5577.12 million as of end January, 2009
৪। average rate of inflation decreased to 8.90 percent in December, 2008

সবিতো ভাল। তাইলে সমস্যাটা কনে হইলো? আমরাতো ইরাক আফগানে যুদ্ধ করি নাই...তাইলে আমাগো ট্যাকা গেল কই?(পরবর্তী পুষ্টে বিস্তারিত হইবেক।)

আফসোসের কথা দেশের ও দুনিয়ার এমন খারাপ টাইমে যাদের কথা আমাগ শুনার কথা--ওইসব অর্থনীতিবিদরা এখন ব্যস্ত জঙ্গি প্রডাকশন রেট হিসাব নিয়া। দেশে নাকি এখন প্রতি বছর ১০লক্ষ জঙ্গি(অবশ্যি ইসলামিক) তৈরী হইবেক!আর ছিপিডি(ছেন্ট্রাল প্রপাগান্ডা ডিপো)তো আছেই ২ পায়ে খারায়া, আইএমএফ এর লোন নিয়া সারা জীবনের জন্য দেশটারে কয়েদ কইরা ফেলাইতে।আপ্নে বিয়া করার আগেই, আপনার অনাগত শিশু সহ বিক্রি হয়া যাচ্ছেন! সারা জীবন যা কাজ করবেন- সব তাদের জন্য- যারা আমাদের মূল্যবান অর্থ সাহায্য দিয়া ধইন্যো করবেক।আর বিএনপি আওয়ামী লীগ কাজিয়া নিয়া মাইত্তা থাকবেন।লাঠি বইঠা কাস্তে নিয়া একেওপরের উপরে ঝাপায়া পড়বেন।কিন্তু একটাও সফল সরকার পাবেন না।
এখন দেশ দখল করতে যুদ্ধ করা লাগে না...কয়েকটা ইকোনমিক হিটম্যান , একটা ছিপিডি, একটা প্রথম কালো আর একখান মাল (মুহিত)ই যথেষ্ট!

(চলিবেক)


১ মার্চ, ২০০৯

Conspiracy Theory-part 1


ভাই মন ভাল নাই...রাতে ঘুমানোর আগে যা ভাবতে ছিলাম...সকালে ঘুম থেকে উঠার পর তাই ভাবতেছি। গত ২ দিন শুধু পেপার নিউজ টিভি দেখলাম। আর শুনলাম গুজব...এর মধ্য থেকে সবচেয়ে খারাপ গুজব গুলা সত্য হইছে...যে গুলা আমাদের/আমার wildest imagination এর বাইরে ছিল।

আগেই ব লি, আমার এই লাইনে কোন পড়াশোনা নাই। কিছুটা দেখা শোনা আছে...। So আমার মতামত নিয়া মাথা ঘামানোর দরকার নাই। কোন comment ও প্রত্যাশা করি না।

Background: এইটা আমাদের usual দাবি আদায়ের রাস্তা না। this thing never happened before. Even BDR will never be befitted from dis....they knew that. that means তাদের intension দাবি আদায় ছিল না। intension ছিল গনহত্যা! That means they worked for some others benefit. So there must be a conspiracy theory.

আমাদের মনে প্রশ্ন কিল বিল করতেছে...

আমি conspiracy theory লিখতে গিয়া আটকায় গেছি যে সব প্রশ্নে...

1. NDTV কিভাবে ২৫ ফেব্রুয়ারীতে BDR Director-General Major-General Sakil Ahmed এর ডেডবডি দেখাইল। পরে তা ETV তেও বলা হয়। এখন পরযনত এই ছবি আমাদের কোন মিডিয়া দেখাইতে পারে নাই! কই পাইলো?
তারা আমাদের Army কে উস্কায়া দিতে চাইছিল? A complete chaos create করাই কি তাদের intension ছিলl? আমাদের Army তাদের তাদের ফাদে পা দেয় নাই। ধন্যবাদ আপনাদের।

2. কিভাবে NDTV ২৫ ফেব্রুয়ারীতে ১৪ জন মারা গেছে...এই নিউজ দিল...জখন দেশের সব অন লাইন নিউজ বলছে BDnews24.com - 1 jon
Daily star- 4 jon
পাঠক খেয়াল করেন-- সংখ্যাটা ১০-১৫ না, ১০-১২ না...একদম ১৪ জন।
3. BBC আমাদের এক সাবেক BDR প্রধানকে(Mr. Azizur) প্রশ্ন করলোঃ amader BDR ar Army er moidde Islamic fundamentalist group er lok ace kina...jara eita korte pare...(!!!??)
তারা ঘটনা এভাবে দেখাইতে চায়?! সাবেকBDR প্রধান অবশ্য Confidently question ta উরায়া dice..
তিনি আমাদের পররাষ্ট্র ম্নত্রীর মত দোনামনা করেন নাই। সাব্বাস!

আরো কিছু ফরেন চ্যানেলঃ ISI, JMB, জ়ামাত বইলা ধোয়া তুলতেছে...কাহিনী ঘটার ২৪ ঘন্টার মধ্যে?
Who come they know that? If they knew, who come DGFI did not noticed that?
তাদের জন্য যেটা বিশাস করান ভালো সেটা করতেছে তারা...আমরা একটা জঙ্গি রাষ্ট্র...এইটা সারা দুনিয়ায় প্রচার হইয়া গেছে।

4. সকল জিম্মি কেইস এর শুরুতেই যা দেখা হয়...তা হইল...জিম্মি কয় জন আছে...কেমন আছে...
so হিশাব শুরু হয় কয় জন ছিল..এটা দিয়া। এই হিসাবটা ছিল...সরকার...Army..সবার কাসে ছিল...
তাইলে কেন এদের সাথে negotiation এ কিছু না দেইখাই সাধারন ক্ষমা দেয়া হবে?...আর সেইটা দিতেই যদি হবে situation control করতে...তাইলে টিভি তে কেন? মুখে...বা মাইকে দিলেও তো বেপারটা অফিসিয়াল হইতো না...
Court Marshal করতেও আটকাইতো না। জবানের দামটাও থাকতো। ভবিষ্যতে যদি কোন crisis হয়( আল্লাহ না করুন) তাইলে এই জবানের দামটা কাজে লাগতো।

Negotiation যে কাজে দেয় নাই...তা প্রধান্মন্ত্রীর ভাষনেই clear. কারন ভাষনে তাকে threat দিতে হইছে... এই রকম অবসতথায়...আমাদের কোন প্রধান্মন্ত্রীর পড়তে হয় নাই...so এরচেয়ে বেশি কিছু আসা করা জায় না।

তবে যেটা আশাতীত...সেটা হলো আরমি RAB পুলিশ (All have friends and relatives in Army and arms in hand)...সবাই control এ ছিল। Bangladesh Army যেভাবে PM এর কথা শু্চছে...সবাই (specially ক্ষমতা বঞ্চিত আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ) তার ২০% শুনলে...১ মাসেই লোকজন এমন হাপায়া উঠত না।

5. Sob cheye boro question hoilo "Who benefited""Who is loser"
In all sense all 3 parties involved a. Govt. b. Bangladesh Army c. BDR they all are losers.
Bcz, Army BDR dui pashei jibon gece- aro jabe...eder modde trust sesh hoice... eder work environment hobe aro kharap...tough..
So in total, Bangladesh is the loser. This genocide have created a deep hole inside our armed forces internal trust. We all are losers.
এখন আমরা যত Army vs. BDR চিল্লা ফাল্লা করে ২ ভাগ হব...আমরা তত হারব। আমরা যত vindictive হয়ে একে অপরকে দোষ দিব ... ততই ধংসের দিকে আগাব। আমাদের মধ্যে যে ঘ্রিনার বীজ ঢুকে গেছে...সেইটা বট গাছ হবে। আজকে আর লিখতে ভাল্লাগতেছে না। আবার তোরা মানুষ হ!
May Allah guide us.