৭ জুল, ২০১১

সার্বজনীন হরতাল স্কেল

ভূমিকম্প মাপার স্কেল আছে। ফলে দুনিয়ার যেই চিপাতেই হোক আপ্নে ঘরে বৈসা টিভিতে শুইনা...ঝাক্কিডা আন্দাজ কর্তার্বেন। চার্লস রিখটার এই স্কেল বানাইছিলেন।

দুধের ভেজাল মাপ্তে ল্যাক্টোমিটার আছে। গোয়ালা যতই ফালাফালি করুক...ল্যাক্টোমিটার ডুবাইলেই কাহিনী পরিস্কার।

হরতালের কোন স্কেল নাই। তাই বিটিভি সারাজীবন ভ্যানভ্যান কর্তেই থাকবো "আজ হরতালে জনজীবন ছিল স্বাভাবিক। ব্যাংকগুলোতে লেন্দেন হয়েছে।" কথা সত্য। হরতালের দিনেই শুধু ঢাকার জীবন স্বাভাবিক থাকে। অন্যদিনগুলাতেই যা জ্যাম থাকে ...সেইটারে কোন ভাবেই স্বাভাবিক জীবনযাত্রা বলা যায় না। আরেকদিকে বিরোধী সংবাদ মাধ্যমে থাকবে পুলিশের মাইরপিটের ছবি।

তাই হরতালে একটা পরিমাপক ইউনিট করা দর্কার। ব্যাপারটায় সায়েন্টিফিক জাস্টিফিকেশন আনার জন্য সিভিলের ট্রান্সপোর্টেশন ইঞ্জিনিয়ারদের সাহায্য নেয়া যাইতে পারে...ঢাকার গুরুত্বপূর্ন কিছু পয়েন্টে এভারেজ ট্রাফিক চেঞ্জ দেখে এইটা করা জাইতে পারে...সাথে আরো কিছু ফ্যাক্টর যোগ-বিয়োগ-গুন-ভাগ কৈরা সর্বজনীন হরতাল স্কেল সূত্রে ফেলায়া ১০ এর মদ্ধে নাম্বারিং করা যাইতে পারে।

বাস পুড়াইলে ১০ পয়েন্ট
টেম্পু জ্বালানো ৫ পয়েন্ট
রিক্সা ভাংলে ২ পয়েন্ট
পুলিশের মাথা ফাটাইলে বেশি পয়েন্ট
এছাড়াও আহত-নিহত এইসব ফ্যাক্টর দিয়া হিসাবটা পাকা করা লাগব।

তবে এই স্কেলের নামকরন নিয়া খালেদা হাসিনার মদ্ধে ব্যাপক কাজিয়ার সম্ভাবনা আছে।

পাঠক, আপনি কি হাস্তেছেন? আমরা এত অসুস্থ ক্যান?




২ মে, ২০১১

একজন দরিদ্র পোস্ট গ্রাজুয়েটের সবিনয় নিবেদন

লাস্ট কাপুলোভ ইয়ার্স বিদাশে থাকার কারনে আমার নানান কিসিমের ইমেইল করতে ও পড়তে হৈছে। (শুরুতে ইংরাজী না কৈলে পাব্লিক বিশ্বাস নাও খাইতে পারে...তাই লেখকের খুদ্র প্রয়াস)। তবে এই প্রবাস জীবণে আর যাই হোক ইংরাজির চেয়ে খাটি বাংলার চর্চা বেশী হৈছে। কারন অভ্র এস্তেমাল করে শুধু বাংলা টাইপিং না...সাথে যুক্ত হৈছে পথে ঘাটে ফরেন বালিকাদের প্রতি নানান মন্তব্য নিখাদ বাংলায় করার অভিজ্ঞতা। আধুনিক বাংলায় এইটারে নাকি এখন 'ইভ টিজিং' কয়।

যাহোক, দরিদ্র পোস্ট গ্রাজুয়েট জীবণের কিছু বাংলা ইমেইল দিয়া পাঠকের মনোরঞ্জেনের ইচ্ছা নিয়া শুরু করছিলাম...সেইখানে ফিরা আসি।

একদা ইউরোপে যাইবার জন্য মনে বড় টান আসছিল। এর মূলে আছে "ইউরো ট্রিপ" নামের একটা মুভি। এই থিকা আমরা কিছু নালায়েক...ইউরোপ যাবার জন্য চেষ্টা চরিত্র করতে লাগলাম। কোন এক বেওকুফ জানি জানাইলো...জার্মান দেশের দাউদ স্কলারশিপে ব্যাফক পৈসা...কিন্তু এরজন্য দরকার সৈয়দ মুজতবা আলীর মত জার্মান ভাষায় দক্ষতা। এরপরে দলে বলে ভর্তি হৈলাম...জার্মান কালচারাল সেন্টারে...গোঊঊঊথে ইনিস্টিটুট (ইনিস্টিটিউট না কৈলাম...হৈব... ট্টূট...খুব খিয়াল কৈরা)...দলে ছিলেন সাফফাত ভাই, ইয়াকুত, রাসেল ভাই, হের রানা, শামস এবং আরো কিছু ভেন্ডারজেক্স পিপাসু ভাই ও বৈনেরা। নানা ইউনিভার্সিটির প্রস্পেক্টাসে্র কভারে প্রস্পেক্টিভ ললনাদের সবুজ ঘাসে শুইয়া বসিয়া পড়িতে দেখিয়া শিহরিত হৈতাম। একে অপরকে দেইখাইয়া গা টিপাটিপি করিতাম।  কিন্তু আফসুস...জার্মানির রাস্তায় জিলাপি বেচা আর হৈল না আমার...চিয়ার বয় রাসেল ভাই নাচ দেখায়া স্ট্রিট শো কোইরা বেড়াইতে চাইছিলেন...হৈল না। এক-এক জন এক-এক মহাদেশে ছিটকায়া পড়লাম।

মাস্টার্স শেষ কোইরা আবারো নিশা চাপ্লো...এইবার পিএইচডিতে ইউরুপ যামু...বাপ চাচারা জতই মানা করুক...
তাই কতিপয় ইউরোপীয় ডিগ্রীধারী ভাই-ব্রাদারদের (স্রষ্টার বিশেষ আশীর্বাদপুষ্ট) ইমেইল করলামঃ

প্রিয় ভাইও, সাথীও,

আসসালামু আলালিকুম

আপনারা নিশচই অবগত আছেন, আমার প্রবাস জীবণের ১.৫ বছর অতিক্রান্ত হইতে চলিতেছে। ইতমধ্যে আমার মাষ্টার্সের কাজ প্রায় শেষের পথে। আশা করা যায়, মে ২০১০ এর মধ্যে থিসিস জমা দেয়া যাইবেক। এমতাবস্থায়, বিবাহ জরুরী হইয়া উঠিয়াছে। কিন্তু বিবাহের নিমিত্তেই পিএইচডির এডমিশন নেয়াও জরুরীতর হইয়া দেখা দিয়াছে। কেননা, বিবাহ বাজারে বেকার পোস্টগ্রাজুয়েটের মূল্য শুন্য...

আপনারা  আরো ।ইউরোপ আমার স্বপনে শয়নে আসিতেছে...অন্যদিকে GRE আসিতেছে দুঃস্বপ্নে। মশায়ের অবগতির জন্য জানাচ্চি, আমার অর্ধশত ব্লগ পোষ্টে জাহার খানে্ক হিটের পাশাপাশি কিছু বিজ্ঞান বিষয়ক ফ্লপ প্রবন্ধ রহিয়াছে, সুগুলো পাব্লিকেশন লিস্টে মেইলের সাথে বাধিয়া দেয়া হইল। অবগত আছেন যে, ইংরাজী ভাষা সাহিত্যে (GRE) আমার অরুচী প্রগাড়।
আপনাদের সুচিন্তিত মতামত প্রত্যাশী...

বাঙ্গাল

ফলাফল হৈল আরো হালি খানেক রিজেশন...ইউরোপের নানান প্রান্ত হৈতে...রিজেকশন লেটার গুলান বাংলায় তরজমা করলে দাড়ায়ঃ

সম্মানিত আহাম্মক, পিএইচডি কামলা পদে আবেদনকারীদের মধ্যে এইবার অনেক উচ্চমানের আহাম্মক ছিলেন...তাদের মধ্য থেকে খুব কম সংখ্যককে আমরা নিতে পারছি। সেইজন্য আমাগ মনে অনেক দুক্ষু! এইবারের জন্য ক্ষান্ত দেন, আগামীবার ভালো কিছু কৈরা আবার আইসেন...দেখবানে কি করা যায়। (ডু নট রিপ্লাই টু দিজ মেইল...ইনাফ এজ ইনাফ!)


হুম। বিধর্মী রাষ্ট্রে গিয়া ডিগ্রী অর্জনের সৌভাগ্য আর হৈয়া উঠলো না।

২৫ মার্চ, ২০১১

ঢাকায় থাকি

দেশ থেকে ঘুইরা আসলাম.....এয়ারপোর্টএ ব্যাপক কাজ কাম চলতেছে দেখলাম ...নুতন টাইলস, আলোক-সজ্জা, ফুলের গাছে ডেকোরেশন ...দেইখাই মন্ডা ভালো হইয়া গেল ...দেরিতে হইলেও বিশ্বকাপের প্রস্তুতি নেয়া শুরু করছে ঢাকা ...

দিনাজপুর থিকা ঢাকায় আসার সময় বাস কাউন্টারে ঘন্টা খানেক অপেক্ষায় ছিলাম ..কাউন্টারের কোনায় একটা কালার টিভি ছিল...সময় সুজোগ বুইঝা টিভির রিমোট খান দখল নিয়া চ্যানেল ঘুরায়া দেশ টিভি দিলাম...খবর হইতেছে...শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের ধৈরা পুলিশ বেধড়ক পিটাইতেছে..আর কোনো দেশে বিনিয়োগকারীদের পিটানো হয় কিনা জানা নাই... মাল মুহিত স্যাররে কথাডা জিগান দরকার...তেনার অনেক জ্ঞান...

তবে পুলিশের মাইর-পিটের খবর শেষ হইতেই একজন দাবি করলো...সে স্টার প্লাস দেখবে....বেশ মুরুব্বি লোক ...
আমি একটু বেয়াদপি কৈরাই রিমোট নিয়া বইসা থাকলাম..না শুনার  ভান ধইরা ...
কিছুক্ষণ বাদে আরেকজন কইলো...কি জানি একটা সিরিয়াল...এখন নাকি শুরু হইছে ..তাড়াতাড়ি সেই চ্যানেল দেন ..আমি রিমোট আগায়া দিয়া বললাম "আপনি চ্যানেল খুইজা দেখেন"...

সিরিয়াল শুরু হইলো...কিছুক্ষণের মধ্যে টিভির সামনে ভিড় একটু বাড়ল...সিরিয়ালটার মূল বিষয়ঃ কার জানি বিয়া হইতেছে...এর মধ্যে একই পরিবারের জনৈক কুটনা ও কুটনি চালবাজি কইরা বিয়াটা বন্ধ করার পায়তারা করতেছে...সিরিয়াল শেষ হওনের আগেই পাত্র পাত্রীরা এরপরের সিরিয়ালের হালকা একটা বিজ্ঞাপন দিয়া দিল...বাহ ...এই অভিনব বিজ্ঞাপনপন্থা দেইখা আমি টাসকি ...
একটা নাটক একজন লোক লেখে...তার ডায়ালগ সিকোয়েন্স সাজানো থাকে...এর মইধ্যে হুট কইরা যারা একটা বিজ্ঞাপনী সংলাপ ভইরা দিতে পারে...তাদের ব্যবসা সচেতনতা থাকলেও শিল্প সচেতনতা কতটুক আছে তা নিয়া আমার সন্দ হয়.

এইবার দেশে গিয়া আরেকটা অভিজ্ঞতা হৈছে রাস্তায় নাইমা... প্রথম কয়েকদিন কপাল গুনে গাড়ীওয়ালা বন্ধুদের কাছে লিফট পাইছি। কিন্তু একদিন আইজুদ্দিন আটকায়া পড়ল। ৯টার সময় খিলক্ষেত থিকা বাসের জন্য টিকিট কাইটা খাড়াইলাম। সাড়ে ৯টায় দেখালাম...আমার আশেপাশে একটা জন সমুদ্র তৈয়ার হোইছে...যা শুধুমাত্র উন্নত দেশে স্টেডিয়ামে দেখা যায়। আমার বাস আস্লো- চৈলাও গেল। লাইন হৈয়া গেল আকাবাকা। এরপরে আর কোন বাস থামলোই না। আমি বুঝলাম আজকাল দেশে সোজা আঙ্গুলে ঘি দূরের কথা, জ্যাম-জেলি কিছুই উঠে না। লাইন থুইয়া হাটা দিলাম। উত্তরাভিমুখে। ৩/৪ মিনিট পরে দেখলাম...আরো অনেকেই এইরম সামনে গিয়া খাড়ায়া আছে...ফুটপাতে মানুষ ভরা, তবে ভিড়টা পাতলা। আরো সামনে আগাইলাম। আগাইতে আগাইতে নিটোলের বিল্ডিং পর্যন্ত আইসা পড়লাম। এরপরে একটা বাস পাইলাম...কারে জানি নামাইতে একটু স্লো করছিল... হেল্পাররে একটা কুনি মাইরা উইঠা পড়লাম। ২ ঘন্টা পরে শাহবাগ। আহ! এই শহরের লোক গুলান কি ২ বছর পরের কোন চিন্তা মাথায় রাখে? জাপানের মত ভূমিকম্প (আল্লাহ না করুক) একটা ডান বাম দিয়া হোইলেও কি অবস্থা হৈব ভাইবা, পাব্লিকের লুঙ্গির গিট আলগা হোইয়া যাওয়া উচিত।

জাপান এখন

৮ জানু, ২০১১

টুট টূট 2010

২০১০ সালে আমার সবচেয়ে বড় আবিস্কার টুইটার। আমার টেকি জ্ঞানের বহর সম্পর্কে পাঠকের ঠাহর হাল্কা ধাক্কা খাইলো নাকি? বাংলাদেশে টূইটারের ব্রান্ড এম্বাসেডর @aminulahsan এর কাছে হাতেখড়ী হয় ২০১০ এর মে মাসে। তার ব্যাপক আগ্রহ...টুইটার জিনিস্টা নাকই জব্বর। আমার কাছে অবশ্য সেইরম মনে হইলো না। ১৪০ ক্যারেক্টারের মধ্যে চাইপা চুইপা লেখার অভ্যাস আমার কুঙ্কালেই ছিল না। ছুটুবেলায় মাস্টারে শিখাইছে বড় বড় ফাক ফাক কোইরা উত্তর দিতে। বাড়ায়ে ছাড়ায়ে লেখতে। কারন তাইলে নাকই লাম্বার বেশি পাওয়া যায়। আফসুস...আমি যা লেখি তাই এখন ১৪০ ছাড়ায়া গিয়া মাইনাসে চৈলা যায়...

তবে টুইটারকে বড় আবিস্কার ভাবার মূল কারন, টুইটার না, টুইটারের মানুষ গুলান। পুলাপাঙ্গুলান খুবি পাগলা কিসিমের। ২/৪ দিন কিছু টূট না করলেই এরা সমানে টূটুট গালি দেয়া শুরু করে। এদের টানেই (ঝাড়িতেই) কিছু টূট করা হোইছে গেল বছর। আজকের নোটটা তার সংকলন মাত্রঃ

২জুনঃ ক;ফেইসবুক আমারে কৈছে পাজামা(privacy settings) ঠিক কর্তে...আমি কৈছি "পারলে টান দিয়া দেখ!"
খঃ Another newspaper ban in Bangladesh! Youtube, facebook, daily newspaper...whatnext? blog-sites?

১৬ জুনঃ ক।ওরে ভিসি তুই কোন দল/ চল গিয়া দেখি ফুটবল

১৯ জুনঃ তুমার ভালোবাসা রাইখো ফ্রিজে, ঘৃনাগুলান ওভেনে/ গভীর রাইতে ফিরমু আমি, তুমার প্রেমের গহীনে।

৩ জুলাইঃ Maradona Starts match preparation by scolding referees..damn smart. #worldcup will lose remaining 50% attractions without him. Love u man!

৮ জুলাইঃ ATNবাংলা যদি মূসা ইব্রাহীমরে স্পন্সর কর্ত তাইলে পেপারে খবর আসত "বাংলাদেশী তরূনের 'ইভা'রেস্ট জয়"!
 How many mountains must a man climb down, before you call him a Musa Ibrahim!#Bangladesh#Prothomalo

খিদা লাগছে...হনারেবল হাইকোর্ট...আমারে কিছু মামলা দেন...খাই।
২৬ আগস্টঃ সংবিধানটা পেন্সিল দিয়া লেখা উচিত ছিল...তাইলে বারে বারে কাটাকুটি করা লাগতো না...স্যাপ দিয়া ডৈলা লৈলেই হৈত।

দেশের সেমি নির্র্বোধ তরুণ সম্প্রদায় নিয়া আমি খুবই হতাশ #YabaGeneration


২৭ আগস্টঃকাজী নজরুল বাইচা থাকলে টুইট কইরা ভাসায়া ফেলতেন..কারণ উনারতো কাগজ কলম কিনার পয়সা থাকত না, মোবাইলে টুইট করতেন খালি:D

১ সেপ্টেম্বরঃ দেশে নুতন গাড়ি কিনা আর নুতন বিয়া করা একই...দুইটাই রিকন্ডিশন্দ #লিটনেরফ্লাট_জেনারেশন

৩ সেপ্টেম্বরঃ Greatest Science Fiction Writer of this Godless Universe #Stephen Hawking

গরিব হওয়ার অনেক জ্বালা- জসিম #GoriberPrem

৪ সেপ্টেম্বরঃ রাজীব তুই একটা ছোটলোক-অপূর্ব/অপূর্ব তুই একটা বেইমান -রাজীব/প্রভা ভিডিওটা চাইরা ভালা করলা না -রাজীব #MathaNosToMaaN

৮ সেপ্টেম্বরঃ বাসার সামনের মাঠে খেইলা অর্র্জেন্তিনা যে ফাল দিছে, তাতে তাগো একটা ওয়ার্র্ল্ড কাপ না দিলেই না ....#শ্রমের_মর্যাদা

১০ সেপ্টেম্ম্বরঃ #Obama said "Quran burning is destructive",Indeed! bcz its the nature of burning!

১৫ সেপ্টেম্ম্বরঃঢাকাবাসীর এখন খাটের তলায় ঘুমানো উচিত।#Earthquake #Again&Again

১৬সেপ্টেম্ম্বরঃদুপুরের ঘুম ঠেকানো যায় না, আর রাতের বেলায় সে আসে না ...ঘুম: তুই বড় লস্কর

২৪ সেপ্টেম্বরঃ How many chat box must a man open, before u call him bachelor? #JatiBIYApagla

২৯ সেপ্টেম্বরঃপাবনার ডিসি, এসপি, ওসিকে দৃষ্টান্ত মূলক শান্স্তি দেয়া হোক...কত্ত বড় সাহস ছাত্রলীগের হাতে মাইর খায়া আবার কান্নাকাটি করে

১৪ অক্টবরঃ শ্যাকিব তুমি এগিয়ে চলো, আমরা আছি টিভির সামনে

২০ অক্টবরঃ -বদি, তোমার কি ভয় কর্তেছে? # ছি ছিঃ আমার ভয় কর্বে ক্যান বাকের ভাই?

৮ নভেম্বরঃ আগে মেম্বার চেয়ারম্যানের ভাস্তারা রেইপ করত, এখন ইভ টিজিং করে #DigitalPREM

ট্রানজিট নিয়া বিএনপির ধর্ফরানি দেইখা গন্ডারের কাতুকুতির গল্পটা ইয়াদ আসল #JatirGhumVangse

১৪ নভেম্বরঃ দেশের রাজনীতিতে মাথায় সক্রিয় মগজযুক্ত প্রাণীর বড় অভাব

১৪ নভেম্বরঃ গরু আগামীকালের হরতালের আওতামুক্ত থাকবে, কারণ বিএনপি একটি গরুবান্ধব রাজনৈতিক দল

১৫ নভেম্বরঃ Iawami-Service Public Relations Directorate (ISPR)

১৭ নভেম্বরঃPrince William has given his fiancee Kate Middleton his late mother Diana's sapphire and diamond engagement ring #rajaBadsharPREM

১৯ নভেম্বরঃ#DontAskDontTell that u r a gay. Just do the job in #USArmy.Kill some innocent bloody civilian in #Afghanistan #Iraq #Pakistan.#Senate

১৭ ডিসেম্বরঃদুনিয়ার সকল পোস্ট গ্রাজুয়েটের একমাত্র কমন বিনোদন...সুপারভাইজারকে গালি দেয়া #bangal

২২ ডিসেম্বরঃ WikiLeaks cables: US pushed for reopening of Bangladesh coal mine http://t.co/KTdPb26 via @guardian

এছাড়া অনেক মজার মজার টুট পেইছি। ফেইসবুকবাসিদের জন্য কিছু শেয়ার করতেছি।

by palashmustafiz:  "জাতীয় পার্টি দেশে সামরিক শাসনের অবসান ঘটিয়েছে": এরশাদ..http://bit.ly/d5UKWq .Hit me in my ass so i can stop laughing.

by NaomiAKlein Rape is being used in the #Assange prosecution in the same way that women's freedom was used to invade Afghanistan. Wake up! #wikilieaks

by sifat2188 porikkhar khatay 140 character er besi lekte issa kore na :s #twitter #fb

সেরা ট্রেন্ডজ ছিল #mathaNOSTOmaaan #ProvabitoJati (প্রভা স্ক্যান্ডালের সময় চলছে) #JatiJanteChay

২৯ নভে, ২০১০

বাঙ্গালের দোষ, তার পাসপোর্ট

১. দেশে এখন রাজনীতির হওয়া বেশ গরম ...ঢাকায় ২৬ নভেম্বরে গিয়েছিলাম...
রাস্তায় হরতালের চেয়ে হরতাল বিরোধী প্রচারনাই বেশি...বাসের গায়ে পোস্টার...ব্যানার...সব হরতালবিরোধী ...শুধু পত্রিকায় হরতালের ডাক পাওয়া যায়... বাংলাদেশের রাজনীতিতে যেন ক্রিয়ার চেয়ে প্রতিক্রিয়ায় বেশি ...বাড়ি গেল একজনের...গাড়ি পুড়ল কত জনের ....কারণ হরতাল পালন করাটা সহজ ...একটা প্রেসব্রিফিং দিলেই হলো...কিন্তু হরতাল ঠেকানটা কঠিন...যেটার চেষ্টা সরকারী দল প্রতিবার করে...কিন্তু হিতে বিপরীত হয়...


মজা পেলাম..বনানী মোড়ের দুইটা জিনিস দেখে...একটা হলো ঘড়ি বিক্রেতা...ওয়াটারপ্রুফ ঘড়ি বেচতেছে...বালতির পানিতে ঘড়িগুলো চুবিয়ে রাখা ...সত্যি ওয়াটার প্রেফ...তার চাক্ষুস প্রমান...
আরেকটা মজার জিনিস হলো ...সম্মিলিত ইসলামিক জোটের পোস্টার...সেখানে হেডিং দেয়া "দেশবাসী সাবধান , খালেদা জিয়া মদ খান"...সাথে একটা ছবি... সাদা কালো ...খালেদাজিয়ার হাতে কাচের পাত্র..তাতে কালো পানি..পাশের চেয়ারে একজন পুরুষ ...সুট কোট পড়া...  উনার হাত চিয়ার্র্স করার ভঙ্গিমায় তোলা...খুবই আনাড়ি ফটোশপের কাজ ..লোকজন ভীড় করে দেখছে..


মদ খাওয়া কাজটা মোটেও মারাত্মক মাত্রার খারাপ না...কারণ যে মদ খায়...সে নিজের পয়সায় খায় ..বরং এরচেয়ে হরতাল অনেক বড় মাত্রার অপরাধ...কারণ সে দেশের ক্ষতি করে ...কিন্তু ভদ্রসমাজে "আমি মদ খাই".. বললে ছি: ছি: রব উঠলেও...আমি হরতালে ভাংচুর করি বললে...কেউ  নাক সিটকায় না 


-----------------------------------------------------------------------------
২. পরদিন ২৭ নভেম্বরে আমার ফ্লাইট ছিল...রাত ১১:৩০এ   যখন LCCT Airport, Kuala Lumpur এ নামলাম, তখন কানে ভনভন...খিদাও পাইছে বেশ...
এই এয়ারপোর্টটা আমার চেনা..অনেকবার এসেছি...তাড়াতাড়ি চলে আসলাম ইমিগ্রেশনের কাউন্টারে ...কিন্তু বাংলাদেশী পাসপোর্টধারীদের আলাদা লাইন করতে বলা হলো...
মাথায় চুল ছোটো  করে ছাটা একজন অফিসার এসে বাংলায় জিজ্ঞাসা করলো "বাংলা?...সিনি সিনি(মালে ভাষা ) ...এদিকে এদিকে "
ইমিগ্রেশন কাউন্টার থেকে দুরে দার করানো হলো ৩০-৩৫জোন বাংলাদেশীকে ...যারা ফ্যামিলি নিয়ে এসেছেন.. তাদের যেতে দেয়া হলো ...বাঙালি মহিলাদেরকেও সোজা ইমিগ্রেশন কাউন্টারে পাঠানো হলো ...সাদা কামরার একটা মেয়ে এসে কিছুক্ষণ আমাদের লাইনের আসে পাশে বিভ্রান্ত হয়ে ঘোরল..সেও ঠিক বুঝতে পারছে না...এদিকে এই আলাদা লাইনের কারণ কি ..একজন মহিলা অফিসার ব্যস্ত হয়ে মেয়েটাকে বুঝিয়ে দিল...তার স্থান এখানে না...এটা বাংলাদেশীদের স্পেশাল লাইন
আমি এগিয়ে গিয়ে পরিচয় দেই না ..."আমি একজন ছাত্র...ওয়ার্রকার না"...কারণ ওরাতো পরিচয় জানতে চায় নি ...তাদের একটাই বিভাজন "বাংলা?"
আমাদের সবুজ পাস্পর্র্ট দেখেও ওরা নিশ্চিত হয় না ...কারণ পাসপোর্ট বানানোর হাজার কৌসল আমরা অনেক আগেই দেখিয়েছি ...হাজারখানেক অবৈধ শ্রমিক এখনো মালেশিয়ার রাস্তায় ঘুরে বেড়ায়...পুলিশ দেখলে ঘুষ দেয়...রাতের বেলা বাজার করে ...কবে একটা চাকরি পাবে - বৈধ ওয়ার্র্ক পারমিট পাবে সেই আশায় ...

চাপ দাড়িওয়ালা একজন বাংলাদেশী যুবক এগিয়ে গিয়ে অফিসারের কাছে জানায় তার পরিচয়...তার উচ্চারণে ব্রিটিশ ঝাজ ...পেছন থেকে কে যেন বলে "লাভ নাই মামা ...হালারা ইংরাজি বুঝে না"

 
কিছুক্ষণ পরে সেও অপ্রস্তুত হয়ে লাইনের পিছনে দাড়ায় ...কয়েকজন লাইনে সামনে যাবার জন্য ফাক ফোকর খোজে ...আমি দাড়িয়ে থাকি ..পিঠের ৭কেজি বোঝাটা নামিয়ে রাখি ..২০-২৫ মিনিট পরে...৪/৫  জন মালেশিয়ান অফিসার(২ জন মহিলা )...আমাদের লাইন ধরে হটিয়ে নিয়ে যায়...দূরে একটা করিডরে...চিপা...করিডরে ঘন হয়ে দাড়ায় সবাই...সবাই কম বেশি বিরক্ত ...আমিও ...
আমি এইজন্য  বিরক্ত না...যে আমি একজন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া ছাত্র, বাংলাদেশে অন্যতম সেরা একটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করা ছাত্র ...আমাকে এভাবে অবৈধ শ্রমিকদের মত সন্দেহ করার জন্য আমি বিরক্ত না  ...কারণ ওই শ্রমিকরা আমার গ্রামের মত একটা গ্রাম থেকেই এসেছে ...

আমি বিরক্ত হই...যখন ওরা অশুদ্ধ বাংলায় বলে "পাস্পর্র্ট দাও"...একটা কাগজের কার্টুনে সবাইকে পাস্পর্র্ট রাখার  ইঙ্গিত  করে
আমি এগিয়ে গিয়ে বলি "ইংলিশ প্লিজ"...এবারে খাটি মালে ভাষায় উত্তর আসে "পাস্পর্র্ট সিনি"...হাত বাড়িয়ে কার্র্তুনটা সামনে ধরে ...টিকিট বোর্ডিং পাস সহ বাক্সে ফেলে দেই...
গাট্টাগোত্তা অফিসার আবার মালে ভাষায় জানায় "পাস্পর্র্ট সাহাজা"...(সাহাজা মানে অনলি)..আমি ভ্রু কুচকে না বুঝার ভান করে বলি "হোয়াট?"
আমার  বোর্ডিং পাস আর টিকিট বাক্স থেকে তুলে বাড়িয়ে দেয়.... খুবই বিরক্তভাবে
 
সবার পাসপোর্ট জমা হবার পর...ছোটো করিডরে সবাইকে লাইনে  দাড় করে...আবার লাইনে সামনে যাবার একটা হালকা  হুরাহুরি ...মহিলা অফিসাররা মাঝরাতের এই নাটকে  বেশ মজা পায় ...তারা  হাসা  হাসি  করে
গাট্টা গোত্তা অফিসার এবার হুকুম করে "বসো বসো (বাংলায়...যেন বাঙালিরা এটুকু ইংরেজিও জানে না ..তাই বাংলা শিখেই এরা  এসেছে তারা)"...দুই হাত নেড়ে বুঝলো মাটিতে বসতে হবে
লোকজনের   মধ্যে   চাপা   গুঞ্জন ...ও চরম  বিরক্তি  ...কে জানি  বাংলায় "হালার  পুত " টাইপ  একটা গালি  দিল..আমার কানের ভনভন আওয়াজটা মনে হয় আরো বেড়ে গিয়েছিল...পরিস্কার শুনতে পাই নাই ...অনিচ্ছা স্বত্তেও একে একে সবাই বসলো ...মাটিতে ...আমিও 


কম বয়সী  মহিলা অফিসাররা ...একে অপরের গাটিপে হাসে  ...যেন নাটকের  এই অংশে  তাদের বড্ড  মজা 

এরপরে একে একে দেকে পাস্পর্র্ট পরীক্ষা করে প্রায় সবাইকেই ছেড়ে দিল ...সোজা ইমিগ্রেশন কাউন্টারে ...গিয়ে আবার চেকিং


এইরকম ছোটো  খাটো (!) বঞ্চনা প্রবাসে মেনে নেয়ায় যেতে পারে ...কারণ এটা ওদের দেশ ...নিজের দেশে নিরাপত্তার খাতিরে ওরা যেকোনো পদক্ষেপ নিতেই পারে
আর আমরা বাংলাদেশী ...আমাদের নিজেদের কোনো মান ইজ্জ্বত নাই ..নেংটি খুলে যাক তবু ..নেত্রীর মান ইজ্জ্বতে আঘাত আসলে আমরাদের লড়াইয়ে  নামতে  হবে  ....নিজেদের ধংস করার নেশায় পাইছে আমাদের ... শরম 

কিসের? আমরাত নিজের দেশটাকে অতল কোন বালতিতে চুবিয়ে রাখছি...প্রমান করেছি আমরা শরম-লজ্জাপ্রুফ...
 

১৫ নভে, ২০১০

রাষ্ট্রযন্ত্রের স্ক্রু ঢিলা

দেশে আচমকা কেওয়াজ লাইগা যাওয়ায় একটু ঘন ঘন টিভি দেখতেছিলাম...গ্রামে থাকার কারণে শুধু মাত্র খাস বিটিভি সংবাদ দেখতেছিলাম. গতকাল দুপুর ২টায় আমি যখন ইন্টারনেটে খালেদা জিয়ার বাড়ি ছাড়া নিয়া কেঅয়াজের খবর পড়ি...তখন বিটিভি সংবাদে প্রচার করছে "খালেদা জিয়া স্বেচ্ছায় তার ক্যান্টনমেন্টের বাড়ি ছেড়ে যাচ্ছেন" বরাত আইএসপিআর ...নামটা কি চিনা চিনা লাগলো পাঠকের? জ্বী, এক সময় এই আইএসপিআর এর খবর রেগুলার টিভিতে দেখছেন. পিলখানার ঘটনায়. আইএসপিআর বিডিয়ারের ঘটনাতেও পাক্কা তিন দিন মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করছে ...সুতরাং এই সরকারের আমলে তাদের হাচা কথা বলার রেইট প্রায় শুন্যের কাছাকাছি.

বাসা খালি কইরা তারা বলল ..."বাসাটি এখন পুলিশের হেফাজতে আছে"...ক্যান বাবা? ক্যান্তন্মেন্তের ভিতরের বাসা পুলিশ হেফাজত করব ক্যান ? আবার কিছুক্ষণ পরে...জানা গেল..বাসার ভিতরে সাদা পোশাকে সামরিক বাহিনীর লোকজনই পাহারা দিতেছে.. ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড বাড়ির নিয়ন্ত্রণে আছে... এই কথাডা কইতে এত শরমের কি আছে?

এরপরে আসলো খালেদা জিয়া কান্না ভরা প্রেস কনফারেন্স. পাবলিকের মনে প্রশ্ন: এইটা কি আসল কান্না? 
বাংলাদেশের এমন কোনো মেয়ে নাই ...যে একটা বাড়ি(ঢাকা শহরের সবচেয়ে সুরক্ষিত জায়গায়) হারানো সহজে মাইনা নিতে পারবে...তার যতগুলান বাড়িই থাক ...সুতরাং খালেদা জিয়া হঠাত উদার হইয়া সুরসুর করে বাড়ি ছাইড়া দিবে ...তারে নিয়া আমি এইরকম উচ্চাশা করি না ..আফটার অল আমি নিজের দেশের মা-বোনদের অন্তত চিনি ...৩৮ বছরের ব্যবহৃত বাড়ি ফেলায়া আইসা কানবো না এইরম বাংলাদেশী  মাইয়া আমি কল্পনাও করতে পারি না

গতকাল যে নাটক ক্যান্টনমেন্ট মঞ্চায়িত হৈছিল, তা ছিল পুরাপুরি সামরিক বাহিনীর "রাজনীতি মুক্ত" থাকার প্রয়াসের সফল প্রতিফলন...সে জন্য আইএসপিআর মিথ্যা সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে...আর তাদের দোসর "ব্যাপকমাত্রায় স্বাধীনতা ভোগকারী" পত্রপত্রিকা তা ফলাও করে প্রচার করে...তারা তিনটা বেসামরিক ট্রাক সাজায় রাখছিল বাড়ির সামনে...এটাও নাটকের একটা অংশ...আমি খুব খুশি হইতাম ...যদি বাংলা ভাই ধরার মত ...টিভিতে লাইভ টেলিকাস্ট করত... কিন্তু আফসোস ...আজ ক্যান্টনমেন্টের কোনো টিভি ক্যামেরাও যেতে দেয়নি সেনাবাহিনীর কড়া সামরিক প্রহরা... কারণ ওনাদের ভয়... এই ব্যাপক গণতান্ত্রিক সরকারের পোশাকের আড়ালে যদি সামরিক উর্দিটা ধরা পরে যায় আম জনতার চোখে

আমার আফসোস বেশিক্ষণ করা লাগে নাই, উচ্ছেদের ২৪ ঘণ্টা পর আইএসপিআরের পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের নেয়া হয় সে বাড়িতে। দরজায় শাবলের চিন্হ রং-পট্টি মাইরাও মুছা যায় নাই... তবে সবচেয়ে বড় রগড় দিছেন তারা বিটিভির রাতের সংবাদে "খালেদার বাসা থেকে পর্ন  ম্যাগাজিন পাওয়া গেছে তা দেখাইল ".আইএসপিআর চরম খেলা দেখাইছে..জাতি ব্যাপক বিনোদিত ..ভিডিও দেখাইছে.
আমি এইটাও মাইনা নিতে পারি...ঐসব পাইতেই পারে ..সেনাবাহিনিত অনেক কিছুই পাইছিল "আধা সামরিক কাম তত্বাবধায়ক সরকার আমলে...ভিআইপিদের বাড়ির বাথরুমে বিদেশী শাড়ি, মদ, অস্ত্র ...তেনারা এইসব পাইতেই পারেন...অভ্যাস যায় নাই... সবকিছুর পরেও এইটা ছিল একটা বাসা ...মসজিদতো না? এইটা বিটিভিতে সারা দেশের ছোট-বড় সবার সামনে প্রচার করার মত মানসিকতা সরকারী দল ক্যান দেখাইল? ধরা যাক, উনার বাসায় দুইটা কনডম পাওয়া গেল...এখন সেনাবাহানীর দুইজন সোলজার কি সেইটা বিটিভির ক্যামেরার সামনে নাইরা চাইরা দেখানো উচিত?

এখন আসা যাক এই ঘটনার সুদুর প্রসারী খতরনাক প্রতিক্রিয়ায়

১. আজকে যেই আইএসপিআর সরকারের কথায় মিছা কথা কৈতেছে ...বিটিভির সাথে তাদের পার্র্থক্য় কি থাকলো?......এইখান থিকা তার রাজনৈতিক অভিযাত্রা শুরু হৈল...কালকে যেই গদিতে বসবে...সেই আইএসপিআর এর মাইক ভাড়া করবে প্রচার প্রপাগান্ডার কাজে ... জনগনের চক্ষেও তার রং ৫ বছর পর পর পাল্টাবে...সেনাবাহিনীর ভিতরেও এর প্রভাব ব্যাপক ক্রমিক পালাবদল তৈয়ার করবে.   পিলখানা-রূপগঞ্জের পরে, খালেদার উচ্ছেদ অভিযান সেনাবাহিনীকে আবারো কলঙ্কিত করলো

২. খালেদার সাথে সাথে তার পোলা দুইটাও নিশ্চিত কানতেছে আজকে ...যেকোনো সন্তান তার মায়ের অপমানের প্রতিশোধ নিবেই...যদি তার সেই ক্ষমতা থাকে ..তা সে যত বড় কুসন্তানি হোক .আজ হোক কাল হোক...এরা ক্ষমতায় আসবেই ..এবং এই অপমানের প্রতিশোধ নিবে (এদের নিয়েও আমার কোনো উচ্চাশা নাই ...এরা জিয়ার পুত্র হইতে পারে...কিন্তু জিয়া না)..এই প্রতিশোধের ভাষা গ্রেনেড কিংবা বন্দুকের গুলিও হইতে পারে ..ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বাড়িটা বুলডোজার দিয়া গুরায়াও দিতে পারে ...২ বছরের সেনাশাসনের পরে এখন সবাই বুইঝা গেছে ক্যামনে আদালত চালাইতে হয়, আইএসপিআররের মাইক ভাড়া করতে হয়, পত্রিকাওয়ালাদের খামোশ রাখতে হয় (দেশে বিরোধীদলের পত্রিকা, টিভি ওয়েব্সিত সহ প্রায় হাফডজন প্রতিষ্ঠান বন্ধ আছে নানা উছিলায়...শুরুটা একুশে টিভি থিকা) ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বাসাটা জন্ম লগ্ন থিকা বাংলাদেশের রাজনীতির একটা স্বাক্ষী ...এই বাসাটারে এইভাবে হুমকির  মুখে ফেলাটা ভালো হয় নাই...সেই সাথে ক্যান্টনমেন্টের বাসাটাও একটা ঐতিহাসিক গুরুত্ব বহন করে..৭ই নভেম্বরে এই বাসা থেকেই মুক্তি হন ... সেনাপ্রধান হওয়ার পরও এ বাড়িতেই ছিলেন জিয়াউর রহমান। এ বাড়িটি ছেড়ে সেনাপ্রধানের জন্য নির্ধারিত বাড়িতে যান নাই।৯০ এর এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে একাধিকবার এই বাড়িতে গৃহবন্দী ছিলেন খালেদা জিয়া.....উচ্ছেদ করছে ভালো কথা...কিন্তু বাসাতারে সংরক্ষণ করা জিতে পারত...এইখানেই ক্যান পুনর্বাসন করতে হবে...সেনাবাহিনীর কি জাগার অভাব?  

৩. দেশের সহিংস রাজনীতির আগুনে আরেকটু ঘি দেয়া হইলো...জার ফলাফল ঈদের আগে আজকে একটা হরতাল পাইল দেশবাসী...সামনে আরো পাবে অথচ দুইটা দলের মূল সুরে কোনো পার্র্থক্ক নাই ..উদ্দেশ এক ...গন্তব্য এক ...গদি...জনগণ তাদের সেইটা বাই টার্নস দিতেছে...তারপরেও ক্যান এত দাঙ্গা ফ্যাসাদ ...এরা কি একটু শান্তিতে থাকতে দিবনা?
৪. শেখ হাসিনাকে গণভবন আর খালেদা জিয়াকে তার ক্যান্টনমেন্টের বাড়ি চিরস্থায়ী ভাবে দিয়ে না দিলে এই দেশে আর শান্তি আসবে না...দেশের শান্তি এই দুইটা বাড়ির সাথে জড়িত ...আমরা কি পারি না ..তাদের বাড়ি দুইটা দিয়া দিতে? বাপ, তোরা বাড়ি দুইটা নে, আর আমাগো একটু শান্তিতে থাকবার দে...কারেন্ট নাই, গ্যাস নাই, রাস্তায় জ্যাম, জীবনের নিশ্চয়তা নাই ...এলা একটু ক্ষান্ত দে!
৫. কিন্তু না, চলছে  চলবে    

ব্লগ থেকে পাওয়া বাড়ির ভিতরের ছবি...পাগলেও জানে এই ম্যাগাজিন ও মদের বোতল প্লান্ট করা হইছে সেনাবাহিনীর উচ্চপদস্থদের বুদ্ধিতে

৮ সেপ, ২০১০

সেক্যুলার বিপ্লবে বাংলাদেশ ও ধার্মিক হাতির পিঠে মাতাল আমেরিকা

শিরোনামটা বেশি ভারী হৈয়া গেল। কিন্তু দ্যাশে ও দুইন্নাতে আসলেই শক্ত পরিবর্তন হৈতেছে। হৈতেই হৈব, কারন আমেরিকা থিকা বাংলাদেশ, সবখানেই পরিবর্তনের/চেঞ্জের/দিন বদলের সরকার।

The Wall Street Journal এ একটা আর্টিকেল ছাপছে আগস্টের ৩০ তারিখে  "Bangladesh's Secular Revolution"হেডিঙ্গের নিচে ছুট্ট কৈরা লেখা Women are powering the country's rejection of radical Islam, but more must be done. বুঝা যায়, লেখক বিশেষ কামেল লোক। আমাদের কি করা উচিত আর কি করা উচিত না তা তিনি বৈলা দিছেন "more must be done" হুহু।লেখক আনিস আহমেদ University of Liberal Arts Bangladesh Foundation এর ভাইস প্রসিডেন্ট।
যেকোন বাংলাদেশি পাঠক পয়লা প্যারাগ্রাফেই হেচকি খাইবো।
"... Bangladesh seems an unlikely place for a secular revolution. It is a dry country with no bars, casinos or horse races. ...And secular principles are far from being consistently upheld: Madrassas receive state funding, while citizens are often hounded for perceived slights to Islam"
  এর মানে দাড়াইল "সেক্যুলার রাষ্ট্র" হৈতে গেলে আমাদের "ড্রাই" কান্ট্রিটারে ভিজাইতে হবে...বার, ক্যাসিনোতে নাচাপিচা করতে হবে আর ঘোড়া দাবড়াইতে হবে... জুয়া খেলতে হবে। আর মাদ্রাসার মত ফালতু জাগায় টাকা পৈসা না দিয়া মদ- জুয়াতে ইনভেস্ট করা লাগপে। লেখকের সেক্যুলার রাষ্ট্রের নব্য মডেল্টার দিকে আমি তাকায়া থাকি...অনেকক্ষন।

ব্যান  
লেখক আরো বলছে, আমাদের সেক্যুলার সরকার ক্ষমতাগ্রহনের পরেই হাওয়া পাল্টায়া দিয়া এই সেক্যুলার বিল্পব শুরু করছে। এবং এই শুরুটা হোইছে, হাইকোর্টের মওদুদী বই ব্যান করার মাধ্যমে। একটা ধর্মীয় বই ব্যান কোইরা আমরা ক্যাম্নে ধর্ম নিরপেক্ষ হৈলাম, তা আমার মাথায় আসে না। হুমায়ন আজাদ স্যারের বই হোক বা মওদুদী বই হোক...আমি ব্যানের বিপক্ষে। এই ব্যান করার কালচারটা বাড়তেই আছে। আমাদের নব্য সেক্যুলার সরকার এরি মইদ্দে ফেইসবুক, ইউটিউব, ইস্পিন, আর কয়েক হালি টিভি চ্যানেল, পত্রিকা ব্যান কর্ছে। এমনকি অনলাইনে লেখালেখির প্লাটফরমগুলাও তাগো পছন্দ না। মঙ্গলধ্বনি নামের একটি অনলাইন মিডিয়া যেখানে প্রাণ-প্রকৃতি-প্রতিবেশের পক্ষে লেখালেখি থাক্তো,সেইটাও ব্যান খাইছে সম্প্রতি। কারন ফুলবাড়ি কয়লাখনি নিয়ে লেখা তারা বরদাস্ত করে না, সিরাজ সিকদারের রক্তের দাগের সাথে সাথে তারে নিয়া লেখালেখিও তারা মুইছা দিতে চায়। আর ২৫মার্চ শেখ মুজিবের ভুমিকা নিয়া কোন আলোচনা (যেখানে তারে পর্যাপ্ত তেল দেয়া হয় না)তারা টলারেইট করে না। আমি যা শুনতে চাই, তুমি তা বলো নাই, তাই তুমারে আমার ভালো লাগে না...ব্যান খাও! 

পরের অংশে লেখক আনিস খান বাংলাদেশের এই "সেক্যুলার বিপ্লবের" মূল কারন অনুসন্ধান করছেন। উনার মতে নারী ক্ষমতায়নই মূল কারন।আর যুদ্ধাপরাধী থুক্কু মানবতাবিরোধীদের বিচারের মাধ্যমেও নাকি সেক্যুলারিস্ট বাংলা সমাজের গোড়া পোক্ত হৈতে যাইতেছে। পাঠকের উপ্রেই লেখকের দাবির সত্যতা খুজার ভার দিলাম।


সবচেয়ে বিরক্তিকর হৈল, ফরেন কমুনিটির আশির্বাদ কামনায় লেখকের উদাত্ত আহবান ।
The foreign community could reinforce these positive trends by supporting the war crimes tribunal. Important in its own right, the success of the trials is crucial to the secularization process as well. Trade and development partners also need to review their economic policies. The United States, for example, could reduce its punitive tariffs on Bangladeshi garments, providing an immediate boost to the economy.
যুদ্ধাপরাধী বিচার আর শুল্কমুক্ত সুবিধার সাথে সেক্যুলারিজমের কি কি যোগসূত্র আছে তা এই নাদানের মাথায় আসে না।
এই ধরনের লেখাকে হঠাত কোন বিচ্ছিন্ন ঘটনা ভাবা ঠিক হবে না। ইলেকশনের ঠিক আগে আমাদের সজীব ওয়াজেদ জয় লিখছিলেন Stemming the Rise of Islamic Extremism in Bangladesh
Harvard International Review তে।প্রকাশিতঃ , ১৯ নভেম্বর ২০০৮।ইলেকশনের আগেই তিনি কিছু দিক নির্দেশনা দিছিলেন ক্যাম্নে সেক্যুলার বাংলাদেশ গড়া যায়। সঙ্গে ছিলেন আমেরিকান কোঅথার Carl Ciovacco।তারা লেখছেন-

“Can the Awami League stop the growing tide of Islamism in a country that has seen the sale of burkas rise nearly 500 percent in the last five years?"
৫০০% এর হিসাবটা জানা যায় নাই...এই সার্ভেটা কে করলো তাও জানা যায় নাই।তবে বোরখার দিয়া যে জঙ্গিবাদের চর্চা হয় সেইরম একটা ধারনা এখন সারা দুইন্নাতে এখন পোক্ত হইছে । ফ্রান্সে বোরখা নিষিদ্ধ হোইছে। ফরাসী আইনমন্ত্রী মিশেল মাখি এরপরে বলছেন , "গণতন্ত্র ও ফরাসি মূল্যবোধের জয় হয়েছে। বোরকা নারীর বিচ্ছিন্নতার চিহ্ন অতএব তাদের মুক্ত করতে হবে"। বাহ। সামান্য  একটা পোষাক নিষিদ্ধের মাধ্যমে বিখ্যাত ফরাসী জাতির গনতন্ত্রের ভিত মজবুত হৈল। সাধু সাধু। বাংলাদেশেও এই কিসিমের একটা হাইকোর্ট আদেশ দেখলাম। তবে এখনও সেইটা স্কুল-কলেজের উপ্রে আছে, কুন্দিন এই সেক্যুলার বিপ্লবের সামিয়ানা স্কুল-কলেজ ছাড়ায়া সারাদেশ ঢাইকা দিয়া আমাদের নড়বড়ে গনতন্ত্রের ভীত শক্ত কোইরা দেয়- সেই অপেক্ষায় আছি।

পাঠক খেয়াল কৈরা থাকবে, হার্ভাড ইন্টারন্যাশ্নাল রিভিউ আর ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল, দুইটাই আমেরিকার মেইনস্ট্রিম পাব্লিশার। টোটকা ফোটকা না। লেখকদের প্রফাইলো যথেষ্ট ভারি। তাদের লেখাগুলা গুরুত্বের দাবিদার । তবে সেক্যুলার রাষ্ট্রের স্বপ্নে বিভোর লেখকরা যাদের সাহায্যপুষ্ট, তাদের দিকে নজর দেই। তারা কেমন সেক্যুলার, সেইটা দেখি।

১। গ্রাউন্ড জিরো মসজিদ: আমি এইটারে আমেরিকার বাবরি মসজিদ বলি। একটা মুস্লিম কমিনিটি সেন্টার নির্মানের কাহিনি নিয়া সারা আমেরিকায় হাউকাউ। বুঝতে হবে খুবি সেক্যুলার দেশ। নাম শুইনা মনে হইতে পারে এই মসজিদটা নাইন ইলিভেনের টুইন টাওয়ার হামলার পড়ে টাওয়ার দুইটার পাদদেশে বানানো একটা মসজিদ। কিন্তু না ...এইটা মোটেও গ্র্যান্ড জিরোতে না , আসে পাশেও না, ঝারা ২ ব্লক দুরে যেখান থেকে গ্রাউন্ড জিরো দেখাও যায় না ....তার চেয়েও বড় কথা এইটা কোনো মসজিদ না ...এইটা একটা ইসলামিক কমিউনিটি সেন্টার যেখানে ফুড কোর্ট, বাস্কেটবল কোর্ট থাকবে। সাথে নামাজের জন্য ২টা ফ্লোর।প্রতিবাদী আমেরিকার মূল কথা- ইসলাম একটি ঘৃণিত ধর্ম। ক্রিশ্চিয়ানিটি নিশ্চিহ্ন করতে মুসলমানরা উঠে পড়ে লেগেছে। আমেরিকার গ্রামাঞ্চলে ২০ টি গোপন জিহাদি প্রশিক্ষণ ক্যাম্প রয়েছে। ভবিষ্যতে সন্ত্রাসী তৎপরতা চালানোর জন্য সেগুলো এখনো সন্ত্রাসী তৈরি করছে। মুসলমানরা তাদের সন্তানদের হত্যা করছে।পাঠককে নিচের ভিডিওটা দেখার অনুরোধ রাখতেছি।

২। বার্ন কোরআনঃ "We believe that Islam is of the devil, that it's causing billions of people to go to hell, it is a deceptive religion, it is a violent religion and that is proven many, many times," Pastor Terry Jones, CNN. আমেরিকান এই ভদ্রলোক "Islam is of the Devil" নামের একটা জ্ঞানগর্ভ পুস্তকও লিখেছেন।
৩। বারাক ওবামাঃ এইলোক্টা হৈল আরেক ধর্মনিরপেক্ষতার পরাকাষ্ঠা। কাজে কর্মে আগেরটার (বুশ) মতই কিন্তু তিনি আবার হাদিস-কুরআন কিছু মুখস্ত করসেন ।এই হোইছে প্রব্লেম। এখন সেক্যুলার আমেরিকারে ঠান্ডা করতে হোয়াইট হাউস থিকা বিবৃতি দিতে হয় "আমাদের প্রেসিডেন্ট নিয়মিত চার্চে যান, তিনি নামাজ পড়েন না। আতংকিত হবার কিছুই নাই"।
আমাদের দেশের মন্ত্রিসভায় এত গুলান হিন্দুমন্ত্রি...আমাগোতো এত পেরেশানি লাগে না। হিন্দু এম্পিরে ভোট দিতেও আমাগো হাত পা এতো কাপে না। এরপরেও শুনতে হৈব, "আমাদের আরো সেক্যুলার হোইতে হৈব"।কি আজিব!

এদিকে আমাদের জাগ্রত বিবেক প্রথম আলোও ফিল্ডে নামছে...৫ সেপ্টম্বরের খবর
আদমশুমারির তথ্য মতে, হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সংখ্যা কমেছে প্রায় ২৪ শতাংশ
লেখাটায় নানা দিকে ধানাই পানাই কৈরা...বার বার বলা হোইছে সামাজিক বৈষম্য, নির্যাতন, চাঁদাবাজি, লুটপাট, সম্পদ ধ্বংস, দৈহিক নির্যাতন,ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালনে বাধা, ধর্ষণ ও পরিবারের সদস্যদের প্রাণহানি, ভূমি গ্রাস এবং ২০০১ সালে নির্বাচনের পরে সংখ্যালঘুদের উপ্রে নির্যাতন---এই হ্রাসের কারন।

প্রতি ইলেকশনের পরেই মাইরপিট হয়...এইটা দাড়ায়া গেছে বাংলাদেশের কালচার (দূঃক্ষজনক হৈলেও এইটাই সত্য)। এখন বিএনপি- আওয়ামী লীগ মাইরপিটে যদি আওয়ামীলীগের মোট ১০০জন হতাহত হয় ...তার মদ্দে যদি ২০জন হিন্দু-আওয়ামী সাপোর্টার হয়...সেইটারে কি সংখ্যালঘুদের উপ্রে নির্যাতন নাকি রাজনৈতিক বিরোধ বলবো? কিন্তু যেই ৮০ জন মুস্লমান হিট খাইলো...তাদের জন্য এইটারে "সংখ্যাগুরুদের উপ্রে নির্যাতন" বলা যাবে না। কারন তাইলেতো আমাদের সেক্যুলার হওনের বিল্পব মাঠে মারা যাইব। 

ধর্মীয় ব্যখ্যা শুধরাইতে চাইয়া মামলা-মোকদ্দমাও হইতেছে বাংলাদেশের ...যে মামলা করসে তার মতলব কি সুষ্ঠু ব্যাখ্যা খোজা ছিল নাকি একটা ধর্র্মীয় দাঙ্গা-ফ্যাসাদ লাগানো ছিল? দেশের স্বাধীনতার ইতিহাসের মত কুরবানির ইতিহাসও মনে হয় চেঞ্জ করতেই হইব! কিন্তু কেউ কোনো পাল্টা আঘাত করে নাই ...কারণ আমরা সেক্যুলার না. 

সবাইকে সেক্যুলার বিপ্লবের লাল সালাম।


লিঙ্কসঃ আমেরিকায় ইসলামঃ টাইম ম্যাগাজিন
পোষাক ও পর্দা: ধর্মনিরপেক্ষতা এবং রাষ্ট্র: চিন্তা 
Chronology of a Bizarre Controversy: Hurt Feelings and the Ground Zero Mosque: CounterPunch

নিরঙ্কুশ রাষ্ট্র আর বন্ধ মঙ্গলধ্বনি :বাধন অধিকারী